বরিশাল প্রাইমারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মসূচি
একটি স্কুলে শুরু হয়েছিল গল্পটা। এবার সেই গল্প পৌঁছে গেল আরেকটি স্কুলে।
পরিবর্তন কখনো একদিনে আসে না। কিন্তু একটি সচেতন আলোচনা, একটি নতুন উপলব্ধি কিংবা একজন শিক্ষার্থীর একটি ভালো সিদ্ধান্ত-এসবই একসময় বড় পরিবর্তনের ভিত্তি হয়ে ওঠে।
বিবিডিসি-এর ডেল্টা ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভ (ডিসিআরআই) পরিচালিত প্রজেক্ট ইকো-ডেল্টা স্কুলস-এর দ্বিতীয় পরিবেশ সচেতনতামূলক সেশন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল প্রাইমারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এ।
প্রায় ৪০ মিনিটের এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী, ৭ জন শিক্ষক এবং ১০ জন স্বেচ্ছাসেবক। সেশনটি পরিচালনা করেন আল মাহমুদ শাওন ও পিপি বড়াই।
আলোচনায় উঠে আসে কেন সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক আমাদের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি, কীভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক নীরবে আমাদের খাদ্য, পানি ও শরীরে প্রবেশ করছে এবং কেন এখনই আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।
এরপর অনুষ্ঠিত কুইজ পর্বে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও অর্থবহ করে তোলে। তাদের কৌতূহল, প্রশ্ন করার আগ্রহ এবং নতুন কিছু শেখার উৎসাহ আমাদের সত্যিই মুগ্ধ করেছে। বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ছোট্ট উপহার।
আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের প্রতি। তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক মতামত আমাদের এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তারা মনে করেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়ে সচেতনতা এখন সময়ের দাবি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
প্রতিটি বিদ্যালয় আমাদের কাছে শুধু একটি ভেন্যু নয়; বরং এমন একটি জায়গা, যেখানে ভবিষ্যতের নাগরিকরা গড়ে ওঠে। আর সেই ভবিষ্যৎ যদি পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়, তাহলে আগামী বাংলাদেশও হবে আরও স্বাস্থ্যকর, আরও দায়িত্বশীল এবং আরও টেকসই।
এই যাত্রা মাত্র শুরু। আমরা পৌঁছে যেতে চাই আরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, আরও অনেক তরুণের কাছে।















